প্রথম সাদাত আলি খান

From ইসলামকোষ
Jump to navigation Jump to search
মীর মুহাম্মদ আমিন মুসাউয়ি
আওধের নবাব
বুরহান উল মুলক
খান বাহাদুর
বাহাদুর জং
মীর আতিশ (অস্ত্রাগার প্রধান)
আগ্রা ও আওধের সুবেদার
সাদাত খান
খুলদ-আশিয়ান
বুরহান উল মুলক
রাজত্বকাল ১৭২২-১৭৩৯[১]
জন্ম আনুমানিক ১৬৮০
জন্মস্থান নিশাপুর, খোরাসান, পারস্য
মৃত্যু ১৯ মার্চ ১৭৩৯(১৭৩৯-০৩-১৯)
মৃত্যুস্থান দিল্লি, ভারত
সমাধিস্থল সাদাত খানের সমাধি, দিল্লি
পূর্বসূরি নেই
উত্তরসূরি সফদর জং
সন্তানাদি এক কন্যা
রাজবংশ নিশাপুরি
পিতা মুহাম্মদ নাসির
ধর্মবিশ্বাস শিয়া ইসলাম

সাদাত আলি খান (হিন্দি: सआदत अली खान, উর্দু: سعادت علی خان‎‎) (জন্ম. আনুমানিক ১৬৮০ – মৃত্যু ১৯ মার্চ ১৭৩৯) ১৭২২ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৭৩৯ সাল পর্যন্ত আওধের সুবেদার নবাব ছিলেন।[২] পঁচিশ বছর বয়সে তিনি তার পিতা মুহাম্মদ নাসিরের[৩] সাথে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শেষ যুদ্ধাভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। দক্ষিণাত্যে মারাঠাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হয়। যুদ্ধে অবদানের জন্য তাকে খান বাহাদুর উপাধি দেয়া হয়।

জীবন

সাদাত আলি খানের জন্মনাম মুহাম্মদ আমিন মুসাউয়ি। তার বাবা মুহাম্মদ নাসির মুসাউয়ি ছিলেন খোরাসানের একজন শিয়া মুসলিম বণিক।[৪] মুঘল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে তার দাদা ভারতে অভিবাসী হন। সাদাত আলি খানের বাবা প্রথম বাহাদুর শাহের শাসনামলে একজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।[৪]

কর্মজীবন

সম্রাট মুহাম্মদ শাহের শাসনের সূচনাকালে সাদাত আলি খান বায়ানার ফৌজদার (গেরিসন কমান্ডার) ছিলেন। নাদির শাহের বিরুদ্ধে কারনালের যুদ্ধে তিনি ছিলেন অন্যতম নেতৃত্বদানকারী মুঘল সেনাপতি।[৪] নাদির শাহের দিল্লি হত্যাকান্ডের একরাত পূর্বে তিনি ধরা পড়েন ও মারা যান। দিল্লিতে তার ভাই সায়াদাত খানের সমাধিতে তাকে দাফন করা হয়েছে।[৪]

সন্তান ও উত্তরাধিকার

সাদাত আলি খানের একমাত্র কন্যার সাথে তার ভাই সায়াদাত খানের ছেলে মুহাম্মদ মুকিমের বিয়ে হয়। মুহাম্মদ মুকিম সফদর জং নামে পরিচিত ছিলেন। সফদর জং আওধে তার উত্তরাধিকারী হন।[৪]

পূর্বসূরী
--
আগ্রার মুঘল গভর্নর
১৫ অক্টোবর ১৭২০ - ৯ সেপ্টেম্বর ১৭২২
উত্তরসূরী
--
পূর্বসূরী
--
আওধের মুঘল গভর্নর
৯ সেপ্টেম্বর ১৭২২ - ১৭৩২
উত্তরসূরী
--
পূর্বসূরী
নতুন অফিস
আওধের সুবেদার নবাব
১৬৩২ - ১৯ মার্চ ১৭৩৯
উত্তরসূরী
আবুল মনসুর মুহাম্মদ মুকিম খান

তথ্যসূত্র

বহিঃসংযোগ